মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২টায় বিভাগের সামনে জড়ো হয়ে বিভাগীয় প্রধানকে তার কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। আলোচনার আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর তালা খুলে দেন তারা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাস্টার্সের রেজাল্ট পাচ্ছি না। তাই ২৮ ফেব্রুয়ারি আমরা স্যারদের অনুরোধ করেছি দ্রুত রেজাল্ট দেওয়ার জন্য। অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেছিলেন এপ্রিল মাসে দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা আরেকটু দ্রুত করার দাবি জানালে গতকালই রেজাল্ট দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষকরা আমাদের উত্তরপত্র যাচাই না করেই ফলাফল প্রস্তুত করেছেন।’
তারা আরও বলেন, ‘আমাদের অনার্সের ফলাফলে ৩০জনেরও অধিক শিক্ষার্থীর সিজিপিএ গড় ৩.৫০ আছে। সেখানে মাস্টার্সের ফলাফলে সর্বোচ্চ ৩.৪৫ এসেছে। অথচ আমাদের সবার পরীক্ষা এরচেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। আমরা মনে করি আমাদের খাতা মূল্যায়ন না করেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ৯ বছরে মাস্টার্সের ফল পেলাম, এরপরও এত সমস্যা। আমাদের চাকরির বয়সও শেষ হয়ে যাচ্ছে।’
ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী জারমিনা রহমান বলেন, ‘স্যারদের কোথাও ভুল হতে পারে। আমি ভালো পরীক্ষা দিয়েছি। আমার যে ফল এসেছে তা প্রত্যাশিত নয়। পুনরায় মূল্যায়ন করার অনুরোধ জানাই। ’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘অনুষদে সিনিয়র শিক্ষক হওয়ায় তার (ড. নজরুল ইসলামের) বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো কথা বলা যায় না। উনি ক্লাসের থেকে বেশি ব্যস্ত শিক্ষক রাজনীতিতে। ছয় মাসের কোর্স চার-পাঁচটি ক্লাস করিয়ে পরীক্ষায় বসান শিক্ষার্থীদের। যার কারণে শিক্ষার্থীরাও ক্ষতিগ্রস্ত।’
এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামের দপ্তরে গেলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, ‘আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি। বুধবার উপাচার্যের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা যায় কি না দেখা হবে।’
source of news: jagonews24
source of news: jagonews24
আপনার মতামত লিখুন :